১৯+ বিভিন্ন পাথরের দাম কত

১৯+ বিভিন্ন পাথরের দাম কত ২০২৪

Last Updated:3 months ago

আশা করি সকলে ভালো আছেন। আজকে আমরা বিভিন্ন ধরনের পাথরের দাম সম্পর্কে জানবো। পাথর দিয়ে অনেক ধরণের কাজ করা হয়ে থাকে। পাথর অনেক ধরণের হয়ে থাকে।যেমন রত্ন পাথর,ক্রিস্টাল পাথর, মার্বেল পাথর এছাড়া আরো অনেক ধরণের পাথর রয়েছে। বিভিন্ন ধরণের পাথর বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। ঘড় বাড়ি বানানোর কাজেও পাথর ব্যবহার করা হয়। তাই অনেকেই পাথরের দাম জানতে চায়। একেক পাথরের দাম একেক রকম। আজকে আমরা এই পোস্টে জানিয়ে দিবো পাথরের দাম কত

পাথরের দাম কত

বর্তমানে বাংলাদেশে ১/২ সাইজের পাথরের দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ২৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৫৭০ টাকা, ৫/৮ সাইজের পাথরের দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৪ হাজার ২০০ টাকা, ৩/৪ সাইজের পাথরের দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ৭৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৪ হাজার ২০০ টাকা ও ২০/৪০ সাইজের পাথরের দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪ হাজার টাকা দাঁড়িয়েছে।


বাংলাদেশে পাথরের দাম কত

সরকারি বা বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক নির্মাণ কাজে পাথরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্ত বর্তমানে এই চাহিদাকে পুজি করে পাথরের রপতানি কমিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এমন পরিস্থিতিতে হিলি স্থলবন্দর ব্যবহার করে সাম্প্রতিক সময়ে পাথরের আমদানি অর্ধেকে নেমেছে। পাশাপাশি টনপ্রতি পাথরের দাম বেড়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। অনেক ক্রেতারা পাথরের দাম না জানায় বিপাকে পড়েছে বন্দরে পাথর কিনতে আসা ক্রেতারা।পাথরের দাম নিরধারণ হয়ে থাকে পাথরের আকার অনুযায়ী। নিচে পাথরের আকারসহ বাংলাদেশে পাথরের দাম কত দেওয়া হলো।

০০-০৫ মি. মি./স্টোন ডাস্ট= (প্রতি মে.টন) ১২৭০ টাকা।

০৫-২০ মি. মি = ৩৬৫০ টাকা।

২০-৪০ মি. মি = ৩৮০০ টাকা।

৪০-৬০ মি.মি = ৪২০০ টাকা।

৬০-৮০ মি.মি=৩৪০০ টাকা।

২৫০ মি.মি. ঊর্ধ্বে বোল্ডার= ৩৫০০ টাকা।

ফাইন ডাস্ট= ৭৪০ টাকা।

প্রতি মেট্রিক টন ক্রাস্ড পাথরের লোডিং চার্জ ৬০.০০ টাকা এবং বোল্ডার পাথরের লোডিং চার্জ ৮০.০০ টাকা।


ভারতে পাথরের দাম কত

বাংলাদেশে যে সকল উন্নয়ন মূলক প্রজেক্টে পাথর ব্যবহার করা সেই সব পাথর ভারত থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সকল প্রজেক্টে ইন্ডিয়ান গুজরাটি পাথর ব্যবহার করা হয়। তবে বর্তমানে বাংলাদেশে পাথরের চাহিদা বেশি থাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ীরা পাথরের দাম বাড়িয়েছে।নিচে ভারতে পাথরের দাম কত দেওয়া হলো।

বর্তমানে ভারতের পাথরের দাম প্রতি সেফটি ১৫০-২১০ টাকা। এছাড়া বাংলাদেশে পাথরের চাহিদা বেশি থাকায় ভারতের ব্যবসায়ীরা প্রতি টনে ৪০০-৫০০ টাকা বাড়িয়েছে।


পোখরাজ পাথরের দাম কত

বর্তমানে পোখরাজ পাথরের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। অনেকেই পোখরাজ পাথর কেনার জন্য আগ্রহ হয়ে থাকে। কিন্ত এর সঠিক দাম সবাই জানে না।পোখরাজ পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মধ্যে হাজারো কৌতুহল।আজকে আমরা পোখরাজ পাথরের সঠিক দাম জানিয়ে দিবো। নিচে দেওয়া হলো পোখরাজ পাথরের দাম কত।

পোখরাজ পাথরের দাম নির্ধারণ পাথরের ক্যারেটের উপর একেক ক্যারেটের দাম একেক রকম।

  • ১ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৫৪০০ টাকা।
  • ২ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ১০৮০০ টাকা।
  • ৩ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ১৬২০০ টাকা।
  • ৪ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ২১৬০০ টাকা।
  • ৫ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ২৭০০০ টাকা।
  • ৬ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৩২৪০০ টাকা।
  • ৭ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৩৭৮০০ টাকা।
  • ৮ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৪৩২০০ টাকা।
  • ৯ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৪৮৬০০ টাকা।
  • ১০ ক্যারেট পোখরাজ পাথরের দাম ৫৪০০০ টাকা। 


প্রবাল পাথরের দাম কত

সাধারণত প্রবাল পাথর সমুদ্রের গভীরে হয়ে থাকে। এই প্রবাল এর অনেক চাহিদা। প্রবাল পাথরকে প্রাকৃতিক পাথরও বলা হয়। প্রবাল হল সমুদ্রগর্ভ জাত এক প্রকার উদ্ভিদ। উষ্ণ সমুদ্রে বসবাসকারী প্রায় উদ্ভিদ জাতীয় প্রবাল নামক প্রাণীর কঙ্কাল থেকে রত্নটির উৎপত্তি। এর থেকে উৎপত্তি হওয়া রস প্রবালকে হিন্দিতে মুংগা, ফারসী ও আরবীতে মারজান, সংস্কৃতে বিদ্রুম ভৌমরত্ন, অঙ্গারক মণি, রক্তাংগ, রক্তকন্দ, অম্বুধিবল্লভ ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।নিচে প্রবাল পাথরের দাম কত দেওয়া হলো।

জাপানী রক্ত প্রবাল পাথর (Japanese Red Coral Gemstone) পাথরের দাম সর্বনিম্ন ৮০০/- টাকা র ক্যারেট/পার রতি থেকে শুরু করে – পার ক্যারেট ৯০০/- টাকা, র ক্যারেট/পার রতি ১০০০/- টাকা, র ক্যারেট/পার রতি ১২০০/- টাকা, র ক্যারেট/পার রতি ১৪০০/- টাকার উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে।


রক্ত প্রবাল পাথরের দাম কত

রক্ত প্রবাল পাথরকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। যেমনঃ –ইংরিজিতে: রেড কোরাল স্টোন, বাংলাতে: রক্ত প্রবাল, এটিকে ফারসী ও আরবীতে মারজান বলে, হিন্দিতে মুঙ্গা বা লাল পলা, প্রবাল হল সমুদ্রগর্ভ জাত এক প্রকার উদ্ভিদ। রক্ত প্রবাল পাথরকে বিভিন্ন নামে ডাকা যায় যেমন ইতালি রক্ত প্রবাল পাথর (Italian Red Coral).

জাপানি রক্ত প্রবাল পাথর (Japanese Red Coral).

ইন্ডিয়ান রক্ত প্রবাল পাথর (Indian Red Coral – Moonga Stone).

 রক্ত প্রবাল পাথরের দাম নিয়ে মানুষের হাজারো কৌতুহল। নিচে রক্ত প্রবাল পাথরের কত দেওয়া হলো।

পার রতি থেকে শুরু করে ৫০০০/- বা ৬০০০/- হাজার টাকা পার রতির উপরে হয়ে থাকে, কারন রক্ত প্রবাল পাথর ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যেমন ধরুন: একটা ১০ রতি ইতালি রক্ত প্রবাল পাথরের দাম ১০,০০০/- টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

অরিজিনাল ইন্ডিয়ান রক্ত প্রবাল পাথরের দাম ২০০/- বা ৩০০/- টাকা পার রতি থেকে শুরু করে ৫০০/- টাকা পার রতির উপরে হয়ে থাকে।


পান্না পাথরের দাম

পান্না পাথর একটি ব্যববহুল রত্ন পাথর। পান্না পাথরের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক চাহিদা রয়েছে। পান্না পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মাঝে হাজারো কৌতুহল রয়েছে। সাধারণত পান্না পাথরের রঙ সবুজ হয়ে থাকে আর এই রঙের উপরেই পান্না পাথরের দাম নির্ভর করে। পান্না রত্ন পাথর বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায় তবে বিভিন্ন দেশ অনুযায়ী পান্না দাম নির্ভর করে তবে ভাল কাটিং এর পান্না পাথরের দাম বেশি। original Green Panna stone price in Bangladesh. নিচে পান্না পাথরের দাম নিয়ে আলোচনা করা হলো।

পার ক্যারেট পান্না পাথরের দাম সর্ব নিন্ম দাম ৫০০ পার ক্যারেট, ৮০০ টাকা পার ক্যারেট, থেকে শুরু করে উপরে অনেক দামের মধ্যে পাওয়া যায়। Natural Emerald real emerald stone price.

অরিজিনাল ব্রাজিল পান্না পাথরের দাম ১৫০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে

পার ক্যারেট ২০০০/- টাকা, পার ক্যারেট ৩০০০/- টাকা, পার ক্যারেট ৪০০০/- টাকা, পার ক্যারেট ১০,০০০/- টাকার উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে, কারন ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যত ভালো পান্না তত বেশি দাম হবে।

কলম্বিয়ান পান্না পাথরের দাম  সর্বনিম্ন  ১০০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে – পার ক্যারেট ১৬০০/- টাকা, পার ক্যারেট ২৫০০/- টাকা, পার ক্যারেট ৩৫০০/- টাকা, পার ক্যারেট ৪৫০০/- টাকার উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে ভালো কোয়ালিটির কলম্বিয়ান পান্না স্টোন আরো বেশি দামেও কিন্তু পাওয়া যায়। Buy Colombian Emerald Gemstone Price.


এমেথিস্ট পাথরের দাম কত

এমেথিস্ট একটি উপরত্ন। এটির রঙ হালকা ও গাঢ় বেগুনি হয়ে থাকে। এমেথিস্ট পাথর সাধারণত ব্রাজিলে বেশি হয়ে থাকে। এমেথিস্ট পাথরের চাহিদা অনেক। এটি সাধারণত মানুষ আংটির মধ্যে ব্যবহার করে। এমেথিস্ট পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মধ্যে হাজারো কৌতুহল। আজকে আমরা এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানিয়ে দিবো এমেথিস্ট পাথরের দাম কত।

এমেথিস্ট পাথরের উপত্তি ব্রাজিলে। ব্রাজিলিয়ান অ্যামেথিস্টের দাম প্রতি ক্যারেট ($4 থেকে $6) ₹ 300 থেকে ₹ 400 এর মধ্যে এবং উচ্চতর রঙের গুণমানের কারণে সাধারণত অন্যান্য উত্সের থেকে বেশি।

 

জারকন পাথরের দাম কত

জারকন পাথর হলো(Zircon Stone) বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। তবে সাদা এবং নীল জারকন সব থেকে বেশী ব্যবহার হয়ে থাকে। হিরের মতো দেখতে হয় এই রত্নটি। তবে এটি মানব নির্মিত এবং এটি এক ধরনের কাঁচ। খুব সস্তায় এটি বাজারে পাওয়া যায়। সাদা জারকনের মধ্যে উৎকৃষ্টতম হল আমেরিকান ডায়মন্ড। জারকন পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মাঝে হাজারো কৌতুহল। অনেকেই জারকন পাথরের দাম জানতে চায়। নিচে জারকন পাথরের দাম দেওয়া হলো।

সাধারণ জারকন পাথরের দাম ১৫০০-২৫০০ টাকা হয়ে থাকে।

এবং অরিজিনাল সাদা জারকন পাথরের দাম ৩০০০ থেকে ১৫০০০ টাকার উপরে হয়ে থাকে।


ব্লু জারকন পাথরের দাম

রত্ন পাথর জারকন পাথর (Zircon Stone / Blue Zircon Stone / White Zircon Stone) বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। তবে সাদা এবং নীল জারকন সব থেকে বেশী ব্যবহার হয়ে থাকে। ব্লু জারকন পাথরকে হীরার বিকল্প বলা হয়। কারণ ব্লু জারকন পাথরকে হীরার পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। তাই অনেকের এর দাম সম্পর্কে জানার অনেক কৌতুহল। তাই আজকে আমরা ব্লু জারকন পাথরের দাম জানিয়ে দিবো।

ব্লু জারকন পাথরের ৮.৯১ ক্যারেটের একটি পাথরের দাম ২০ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকার উপরে। তবে একেক জায়গায় একেক দাম হয়ে থাকে।


এক ট্রাক পাথরের দাম কত

বাংলাদেশে বিভিন্ন মেগা প্রজেক্টে পাথরের চাহিদা থাকায় ভারত থেকে পাথর আমদানি হচ্ছে। কিন্ত চলমান মেগা প্রজেক্টে পাথরের চাহিদ বেশি থাকায় রফতানি কমিয়ে পাথরের দাম বাড়িয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় বাংলাদেশে বেড়েছে পাথরের দাম। নিচে এক পাথরের দাম কত দেওয়া হলো।

হিলি স্থলবন্দরে বর্তমানে আমদানিকৃত ৫-৮ ও ৩-৪ সাইজের পাথর প্রতিটন বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ৭১০ টাকা থেকে তিন হাজার ৭৫০ টাকা। যা আগে তিন হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। হাফ ইঞ্চি সাইজের পাথর বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার ২৫০ টাকা। যা আগে ছিল তিন হাজার ২০০ টাকা।


গোমেদ পাথরের দাম কত

গোমেদ পাথরকে গার্নেট স্টোন নামেও ডাকা হয়। অনেকে দেশে গোমেদ পাথর উৎপাদ হয়ে থাকে। এটির চাহিদা অনেক। গোমেদ পাথর আরো নানান ধরণের নামে ডাকা হয়। যেমন (১) সিলোনি গোমেদ পাথর (Sri Lanka Garnet Ceylon Gomed Gemstones)

(২) আফ্রিকান গোমেদ পাথর (African Garnet Gemstones)

(৩) উড়িষ্যা গয়া গোমেদ পাথর (Orissa Gomed Gaya Gomed Gemstones)

(৪) চায়না গোমেদ পাথর (China Garnet Gemstones)

(৫) মাদাগাস্কার গোমেদ পাথর (Madagascar Garnet Gemstones)

নিচে এই পাথরের দাম কত দেওয়া হলো।

সিলনি গোমেদ পাথরের দাম: (Ceylon Gomed Gemstones Price)

অরিজিনাল শ্রীলঙ্কান গোমেদ পাথরের দাম ১০০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১০,০০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে, কারন ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যেমন ধরুন: একটা ১০ ক্যারেটের সিলংকান রত্ন গোমেদ পাথরের দাম ১০,০০০/- টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আফ্রিকান গোমেদ পাথর : (South African Hessonite Gemstones Price)

অরিজিনাল আফ্রিকান গোমেদ পাথরের দাম ৪০০/- বা ৫০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ৮০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে ভালো কোয়ালিটির আফ্রিকান গোমেদ স্টোন আরো বেশি দামেও কিন্তু পাওয়া যায়। যেমন ধরুন: একটা ১০ ক্যারেটের গোমেদের দাম ৪০০০/- হাজার টাকা থেকে ৮০০০/- টাকার উপরে হয়ে থাকে। কোয়ালিটির উপর দাম নির্ভর করে

☛ উড়িষ্যা গোমেদ পাথর : (Orissa Gaya Gomed Stone Price)

অরিজিনাল উড়িষ্যা গোমেদ পাথরের দাম ২০০/- বা ৩০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ৫০০/- হাজার টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে। যেমন ধরুন: একটা ১০ ক্যারেটের উড়িষ্যা গোমেদ পাথরের দাম ২০০০/- হাজার টাকা থেকে ৩০০০/- টাকার উপরে হয়ে থাকে।


রুবি পাথরের দাম

রুবি পাথরকে বাংলা ভাষায় চুনি পাথর বলা হয়ে থাকে। এটি সাধারণত চুনা পাথরের ভিতরে হয়ে থাকে তাই এটিকে চুনি পাথর বলা হয়। এটিকে আরো বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে।যেমন
(১) – আফ্রিকান রুবী পাথর (African Ruby ​​Gemstone)
(২) – বার্মিজ রুবি পাথর (Burmese Ruby Stone)
(৩) – পিজন ব্লাড রুবি পাথর (Pigeon Blood Ruby ​​Gemstone)
(৪) – ইয়াকুত পাথর (Yakut Stone)
(৫) – নিউ বার্মা রুবী পাথর (New Burma Ruby Gemstone)
(৬) – মানিক পাথর (Manik Pathor)
(৭) – স্টার রুবি পাথর (Star Ruby ​​Stone)
(৮) – আনকাট রুবি পাথর (Uncute Ruby Gemstone)
(৯) – মাদাগাস্কার রুবি পাথর (Madagascar Ruby Gemstone)
(১০) – পাকিস্তানি রুবি পাথর (Pakistani Ruby ​​Stone)
এটির দাম সম্পর্কে জানার জন্য মানুষের মধ্যে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। চলুন জেনে নেই রুবি পাথরের দাম। নিচে রুবি পাথরের দাম দেওয়া হলো।
☛ রুবি পাথরের দাম বাংলাদেশে বার্মা রুবী পাথর।
(Burmese Ruby Stone)  অরিজিনাল বার্মা রুবী পাথরের দাম ২০০০ টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১ লক্ষ টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে, কারন ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যেমন ধরুন: একটা ১০ ক্যারেটের রুবীর দাম ২০,০০০ হাজার টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে
☛ আফ্রিকান রুবী পাথর।
(African Ruby ​​Gemstone) অরিজিনাল আফ্রিকান রুবী পাথরের দাম ৫০০ টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ৪০,০০০ হাজার টাকা পার ক্যারেটের উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে ভালো কোয়ালিটির আফ্রিকান রুবী স্টোন আরো বেশি দামেও কিন্তু পাওয়া যায়। যেমন ধরুন: একটা ১০ ক্যারেটের রুবীর দাম ৫০০০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
☛ স্টার রুবী পাথর।
(Star Ruby ​​Stone) বার্মা স্টার রুবী পাথরের দাম কম হয়ে থাকে। কাজের ক্ষেত্রে এই পাথর খুব একটা কাজ করেনা। তবে স্টার রুবীর চাইতে বার্মা কাটিং রুবী ও আফ্রিকান রুবী পাথর অনেক গুনে ভাল কাজ করে। স্টার রুবী পাথরের দাম ২০০ টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পার ক্যারেটের উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে।

১ কেজি কষ্টি পাথরের দাম কত

আসলে কষ্টিপাথর হলো এক ধরনের কালো পাথর। কষ্টি পাথর দিয়ে সোনা, রূপা, তামা পরীক্ষা করা হয় আসল না নকল, খাঁটি না ভেজাল। এই কষ্টি পাথরের চাহিদা অনেক। কষ্টি পাথর সাধরণত ভারতে বেশি দেখা যায় এবং এর দাম সম্পর্কে জানার জন্য মানুষের মধ্যে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। নিচে কষ্ট পাথরের দাম দেওয়া হলো।
এটি অনেক মূল্যবান একটি পাথর এটির সঠিক দাম এখন পর্যন্ত জানা যায়নি তবে এটির আনুমানিক দাম ১ কেজির দাম ১ লক্ষ টাকার উপরে হয়ে থাকে।

সিলেটের পাথরের দাম

বর্তমানে সিলেটের অপরিকল্পিতভাবে ও যন্ত্রের সাহায্যে পাথর উত্তোলনের ফলে বিপর্যস্ত সিলেটের জাফলং, ভোলাগঞ্জ ও বিছনাকান্দির পরিবেশ। সিলেটের জাফলং অনেক পাথর পাওয়া যায়। অনেকেই সিলেটের পাথরের দাম সম্পর্কে জানতে চায়। নিচে সিলেটের পাথরের দাম দেওয়া হলো।
বর্তমানে সিলেটের প্রতি মেট্রিকটন পাথরের দাম ১২ মার্কিন ডলার হিসেবে বিক্রি করা হয়। যা বাংলাদেশি টাকা হিসেবে ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার উপরে।
 

মুক্তা পাথরের দাম

বর্তমানে মুক্তা পাথরের অনেক চাহিদা। মুক্তা পাথর দিয়ে অনেক ধরণের অলংকার তৈরি করা হয়। ইংরেজিতে মুক্তা পাথরকে পার্ল স্টোন বলা হয়। এছাড়া মুক্তা পাথরকে আরো বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে।যেমন
 (১) – পারস্য উপসাগরের ইরানী বসরাই মুক্তো পাথর (Borsai Pearl Moti)
(২) – বাংলাদেশী মুক্তো পাথর (Bangladeshi Pearl Stone)
(৩) – মায়ানমারের বার্মিজ মুক্তো পাথর (Burmese Pearl (Moti) Stone)
মুক্তা পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মধ্যে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। নিচে মুক্তা পাথরের দাম দেওয়া হলো।
☛ পারস্য উপসাগরের ইরানী বসরাই মুক্তো পাথর (Borsai Pearl Moti)
অরিজিনাল বসরাই মুক্তা পাথরের দাম ৬০০/- বা ৮০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ২০০০/- বা ৩০০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে, কারন ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যেমন ধরুন: একটি ১০ ক্যারেট বসরাই মুক্তো পাথরের দাম ৬০০০/- টাকা থেকে ৮০০০/- হাজার টাকার উপরে পর্যন্ত হতে পারে।
☛ মায়ানমারের বার্মিজ মুক্তো পাথর (Bangladeshi Pearl Stone)
অরিজিনাল মায়ানমারের বার্মিজ মুক্তা পাথরের দাম ৫০০/- বা ৬০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১৫০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে। যেমন ধরুন: একটি ১০ ক্যারেট বার্মিজ মুক্তো পাথরের দাম ৫ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকার উপরে পর্যন্ত হতে পারে। 
☛ বাংলাদেশী মুক্তো পাথর (Burmese Pearl (Moti) Stone)
মুক্তার দাম কত বাংলাদেশে অরিজিনাল বাংলাদেশী মুক্তা পাথরের দাম ৪০০/- বা ৫০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১০০০/১৫০০ টাকা পার ক্যারেটের উপরে আরো দামের মধ্যে হয়ে থাকে। তবে ভালো কোয়ালিটির বাংলাদেশী র্পাল স্টোন আরো বেশি দামেও কিন্তু পাওয়া যায়। যেমন ধরুন: একটি ১০ ক্যারেট বাংলাদেশী খাঁটি মুক্তো পাথরের দাম ৪০০০/- টাকা থেকে ১০ হাজার টাকার উপরে পর্যন্ত হতে পারে। কোয়ালিটির উপর দাম নির্ভর করে।

মোজাইক পাথরের দাম

বর্তমানে মোজাইক পাথরের অনেক চাহিদা। এবং এর চাহিদা অনেক। সাধারণত মানুষ ঘড়বাড়িতে মোজাইক করার জন্য মোজাইক পাথর কিনে থাকে। মোজাইক পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মাঝে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। আজকে আমরা মোজাইক পাথরের দাম জানিয়ে দিবো। নিচে মোজাইক পাথরের দাম দেওয়া হলো।
মাঝারি সাইজের সাদা ইন্ডিয়ান মোজাইক পাথরের দাম পার ব্যাগ ৫০০ টাকা ১ ব্যাগে ৪০ কেজি থাকে অর্থাৎ ৪০ কেজি ৫০০ টাকা। এছাড়া গ্রিন মোজাইক পাথর পার ব্যাগ ৬০০ টাকা। এবং লাল ছোট মোজাইক পাথর পার ব্যাগ ৬৫০ টাকা অর্থাৎ ৪০ কেজি ৬৫০ টাকা। 

আংটির পাথরের দাম

বর্তমানে আংটির পাথরের অনেক চাহিদা কারণ মানুষ বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের পাথরের আংটি ব্যবহার করে থাকে। বিভিন্ন ধরণের পাথর দিয়ে আংটি তৈরি করা হয়। এছাড়া আংটি পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মধ্যে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। অনেকেই আংটি পাথরের দাম জানতে চায়। নিচে আংটি পাথরের দাম দেওয়া হলো।
১ ক্যারেটের পান্না আংটি পাথরের দাম ২১০০ টাকা। এটি আরো বিভিন্ন দামের রয়েছে কারন আংটি পাথরের দাম আংটি পাথরের মানের উপর নির্ভর করে।
এছাড়া আকিক আংটি পাথরের দাম প্রতি পিস ১১০০ টাকা হয়ে থাকে প্রতি পিস ৭-৯ রতি হয়ে থাকে।
এবং প্রবাল আংটি পাথরের দাম ৪ থেকে ২৫০ ডলার হয়ে থাকে যা বাংলাদেশি টাকায় ৪০০ টাকা থেকে ২৭ হাজার টাকার উপরে।

ফিরোজা পাথরের দাম

পৃথিবীর ইতিহাসে ৪০০০ বছর আগে থেকে ফিরোজা পাথর পৃথিবীতে রয়েছে। উন্নত মানের ফিরোজা পাথরের রঙ হচ্ছে আকাশি নিল। বর্তমানে ফিরোজা পাথর অনেক বিখ্যাত। ফিরোজা পাথরকে অনেক নামে ডাকা হয়। যেমন
 (১) – ইরানের নিশাপুরি টারকুইজ বা ফিরোজা পাথর (Irani Nishapuri Firoza)
(২) – আমেরিকান টারকুইজ বা ফিরোজা পাথর (American Turquoise Stone – Feroza)
ফিরোজা পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মাঝে রয়েছে হাজারো কৌতুহল। অনেকেই ফিরোজা পাথরের দাম সম্পর্কে জানয়ে চায়। নিচে ফিরোজা পাথরের দাম দেওয়া হলো।
☛ ইরানের নিশাপুরি টারকুইজ বা ফিরোজা পাথর (Irani Nishapuri Firoza)
অরিজিনাল ইরানের নিশাপুরি টারকুইজ বা ফিরোজা পাথরের দাম ৮০০/- বা ১০০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ১৫০০/- বা ২০০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে, কারন ভালো কোয়ালিটির উপর ভাল দাম নির্ভর করে। যেমন ধরুন: একটি ১০ ক্যারেট ইরানের নিশাপুরি ফিরোজা পাথরের দাম ৮০০০/- টাকা থেকে ২০ হাজার টাকার উপরে হতে পারে।
☛ আমেরিকান টারকুইজ বা ফিরোজা পাথর (American Turquoise Stone – Feroza)
অরিজিনাল আমেরিকান টারকুইজ বা ফিরোজা পাথরের দাম ৩০০/- বা ৪০০/- টাকা পার ক্যারেট থেকে শুরু করে ৬০০/- টাকা পার ক্যারেটের উপরে হয়ে থাকে। যেমন ধরুন: একটি ১০ ক্যারেট আমেরিকান টারকুইজ বা ফিরোজা পাথরের দাম ৩০০০/- টাকা থেকে ৬ হাজার টাকার উপরে হতে পারে।

মরিয়ম পাথরের দাম

মরিয়ম পাথর প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আচ্ছে। পূর্বে এটির চাহিদা অনেক ছিলো। মরিয়ম পাথর অত্যন্ত দূর্লভ এই ফুল ও পাথরের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে এই ফুলের ব্যবহার একরকম আবশ্যক। ঐতিহ্যবাহী ধাত্রীরা শত শত বছর ধরে প্রসবকালীন সময়ে মায়ের বেদনা লাঘব করার জন্য এই ফুলের ব্যবহার করছেন।শুধু আমাদের দেশেই নয়, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই এর ব্যবহার হয়ে থাকে। নিচে মরিয়ম পাথরের দাম দেওয়া হলো।
বর্তমানে সাধারণ একটি মরিয়ম পাথরের দাম ৪০ থেকে ১০০ টাকা হয়ে থাকে এবং অরিজিনাল একটি মরিয়ম পাথরের দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে। 

মার্বেল পাথরের দাম

সাধারণত মার্বেল পাথর দিয়ে বিভিন্ন ধরণের টাইলস বানানো হয়। এবং এই মার্বেল পাথরের টাইলস বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়। কারন মার্বেল পাথরের টাইলস প্রায় অধিকাংশ সময় ঠান্ডা থাকে। তাই এটির চাহিদা অনেক। মার্বেল পাথরের দাম নিয়ে মানুষের মধ্যে হাজারো কৌতুহল রয়েছে। আজকে আমরা মার্বেল পাথরের দাম জানবো। নিচে মার্বেল পাথরের দাম দেওয়া হলো।
•ইন্ডিয়ান মিল্ক হোয়াইট প্রতি বর্গফুট এর দাম ২৭০-৩২০ টাকা পর্যন্ত।
•ইন্ডিয়ান পিংক মার্বেল টাইলস এর দাম প্রতি বর্গফুট ৩৭০ টাকা।
•তুর্কি সর্প লাইনার মার্বেল টাইলস এর দাম প্রতি বর্গফুট ৪০০-৪৩০ টাকা পর্যন্ত।
•পাকিস্তানি বিচ মার্বেল টাইলস এর দাম প্রতি বর্গফুট ৪৩০-৪৫০ টাকা পর্যন্ত।
•পাকিস্তানি অনেক্স প্রতি বর্গফুট এর দাম ১২৩০-১৮০০ টাকা পর্যন্ত।
•ভিয়েতনাম ইউরো হোয়াইট মার্বেল টাইলস প্রতি বর্গফুট এর দাম ১০৫০ টাকা।
•সবুজ মার্বেল পাথরের দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫০-৪০০ টাকা
•ইতালীয়ান কারারা মার্বেল পাথরের দাম প্রতি বর্গফুট ৫৪০ টাকা।
•ইতালীয়ান অ্যারিস্টন হাইট মার্বেল টাইলস এর দাম প্রতি বর্গফুট ৭৫০ টাকা ৮০০ টাকা পর্যন্ত।
•পর্তুগাল পিংক মার্বেল টাইলস এর দাম প্রতি বর্গফুট ৬১০ টাকা থেকে ৬৪০ টাকা পর্যন্ত।
মার্বেল পাথরের প্রতি বর্গ ফুটের দাম ২৭০ টাকা থেকে ১৮৫০ টাকা পর্যন্ত।

চুনাপাথরের দাম

চুনা পাথর দিয়ে সাধারণত ঘড়ের মেঝে তৈরির কাজ করা হয়। চুনা পাথর দিয়ে ঘড়ের মেঝে তৈরি করলে ঘড় দেখতে আরো বেশি সুন্দর হয়। অনেকেই চুনা পাথরের দাম জানতে চায়। নিচে চুনা পাথরের দাম দেওয়া হলো।
চুনা পাথরের দাম প্রতি টন ৩০ থেকে ৩৮ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ৩০০০ থেকে প্রায় ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতি বর্গ ফুট ১.৫০ থেকে ২ ডলার পর্যন্ত যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকার উপরে। এছাড়া প্রতি ঘন গজ ৩৪ থেকে ৫৪ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৫০০ টাকা থেকে ৫৫০০ টকা। এবং প্রতি ব্যাগ ৩ থেকে ৫ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার উপরে। 

ক্রিস্টাল পাথরের দাম

ক্রিস্টাল পাথরের অনেক চাহিদা রয়েছে। ক্রিস্টাল পাথর দিয়ে রোগ নিরাময়ের বিষয়টি বিগত কয়েক বছর ধরে বেশ আলোচিত হচ্ছে। যদিও ঐ পাথরের স্বাস্থ্যগত উপকারিতার বিষয়ে কোন বৈজ্ঞানিক প্রমান নেই। ক্রিস্টাল পাথর এর দাম নিয়ে অনেকের মধ্যে কৌতুহল রয়েছে এবং অনেকেই ক্রিস্টাল পাথরের দাম সম্পর্কে জানতে চায়। নিচে ক্রিস্টাল পাথরের দাম দেওয়া হলো।
সাধারণত এটি পিস ধরে বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতি পিস ইন্ডিয়ান ক্রিস্টাল পাথরের দাম ৫০০ টাকা করে থাকে। এবং ১০ পিস ক্রিস্টাল পাথরের দাম ৫০০০ টাকার উপরে হতে পারে। 

রত্ন পাথরের দাম

রত্ন অনেক মূল্যবান পাথর। অনেক ধরণের রত্ন পাথর হয়ে থাকে। একেক রত্ন পাথরের দাম একেক রকম। রত্ন পাথর অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তাই এর দাম নিয়ে মানুষের মাঝে হাজারো কৌতুহল। তাই আজকে আমরা রত্ন পাথরের দাম নিয়ে আলোচনা করবো। একটি পাথরের মান তার গুণমান এবং আকার দ্বারা নির্ধারিত হয় । এটি প্রতি ক্যারেটের হার হিসাবে বলা হয়েছে। একটি বিক্রয় মূল্য দিতে ক্যারেট প্রতি হার তারপর পাথরের প্রকৃত ওজন দ্বারা গুণ করা হয়।নিচে রত্ন পাথরের দাম দেওয়া হলো।
এক ক্যারেটের একটি পান্না রত্ন পাথরের দাম হলো ২০০০ থেকে ২১০০ টাকা। একটি আকিক রত্ন পাথরের দাম ১১০০ টাকা প্রতিটি পাথরে ৭-৯ রতি হয়ে থাকে। এবং একটি নীলকান্তমনী রত্ন পাথরের দাম ৪০০ থেকে ৮০০ ডলার পর্যন্ত যা বাংলাদেশি টাকায় ৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকার উপরে।

আশা করি সকলে এই পোস্ট থেকে সকল ধরণের পাথরের দাম জানতে পেড়েছেন। আমাদের এই পোস্টে সকল ধরনের পাথরের দাম এবং পাথর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পুড়ো পোস্টটি  ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য ধন্যবাদ। 

একই ধরনের পোস্ট

×