আপেল কত টাকা কেজি

আপেল কত টাকা কেজি ২০২৪

Last Updated:3 months ago

অনেকেই জানতে চায় বর্তমানে আপেল কত টাকা কেজি। আজকে আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিবো আপেল কত কেজিঃ

আপেল এক প্রকারের ফল। এটি রোসাসি (Rosaceae) পরিবারের ম্যালিয়াস ডমেস্টিকা (Malus domestica ) প্রজাতিভুক্ত। আপেল মূলত তার মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়। সারা পৃথিবীব্যাপী আপেলের চাষ হয়ে থাকে এবং সবচেয়ে বেশি চাষকৃত প্রজাতি হচ্ছে জেনাস ম্যলুস (genus Malus), পৃথিবীতে এমন মানুষ খুব কম খুজে পাওয়া যাবে যারা আপেল পছন্দ করে না। আপেল এমন একটি ফল যা কম বেশি সবাই পছন্দ করে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপেল চাষ করা হয়। আগে বাংলাদেশে  আপেল চাষ করা হতো না এখন বাংলাদেশেও কিছু কিছু জায়গায় আপেল চাষ করা হয়।

আপেল কত টাকা কেজি

আপেল প্রাচীনতম মিষ্টিজাতীয় একটি ফল। আগে এই আপেল অনেক কম দামে পাওয়া যেতো কিন্ত বর্তমানে আগের তুলনায় আপেলের দাম অনেক বেশি। বর্তমানে প্রতি কেজি ফুজি আপেলের দাম ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি গালা আপেলের দাম ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। প্রতি কেজি সবুজ আপেলের দাম ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। এবং প্রতি কেজি অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা। তবে এর দাম স্থানভেদে কম বেশি হতে পারে।


১ কেজি আপেলের দাম কত

আপেল অনেক সুস্বাদু একটি ফল। এই ফলের ইংরেজি নাম হলো (Apple) আপেল কম বেশি সকলেই পছন্দ করে থাকে। এই ফলটি আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে থাকে। মধ্য এশিয়াকে আপেলের উৎপত্তিস্থল মনেকরা হয়, যেখানে এখনও তার পূর্বতন বুনো প্রজাতি ম্যলুস সিভেরসিকে (Malus sieversii) দেখতে পাওয়া যায়। আগে অনেক স্বল্প খরচে আপেল কিনতে পাওয়া যেতো এখন বর্তমানে আপেলের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই জানতে চায় আপেলের কেজি কত টাকা। চলুন জেনে নেই ১ কেজি আপেলের দাম কতঃ

আপেল অনেক উপকারি একটি ফল। আপেলের মধ্যে অনেক ভিটামিন রয়েছে। বর্তমানে ১ কেজি ফুজি আপেলের দাম ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। এছাড়া ১ কেজি গালা আপেলের দাম ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা। ১ কেজি সবুজ আপেলের দাম ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা। এবং ১ কেজি অস্ট্রেলিয়ান আপেল ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা।


আপেলের উপকারিতা ও অপকারিতা

আপেল আমাদের সকলের কাছে পরিচিত একটি ফলের নাম। এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ফল গুলির মধ্যে একটি, যা তাদের সুস্বাদু স্বাদ এবং পুষ্টির জন্য পরিচিত। আপেল খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। কিন্ত উপকারিতার পাশাপাশি কিছু অপকারিতাও রয়েছে। অনেকেই জানতে চায় আপেল খাওয়ার কি কি উপকারিতা এবং অপকারিতা রয়েছে। চলুন জেনে নেই:

উপকারিতাঃ

১. এই ফলের মাঝে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, পটাসিয়াম এবং ডায়েটারি ফাইবার সহ প্রয়োজনীয় ভিটামিন রয়েছে । এই পুষ্টিগুলি একটি স্বাস্থ্যকর ইমিউন সিস্টেম বজায় রাখার জন্য, সঠিক হজমের প্রচার এবং কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যকে সমর্থন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

২. আপেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, বিশেষ করে ফ্ল্যাভোনয়েড, যা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি হৃদরোগ, নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সার এবং আলঝেইমার রোগের মতো নিউরোডিজেনারেটিভ ডিজঅর্ডার সহ দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৩. আপেলে থাকা ফাইবার উপাদান, বিশেষ করে পেকটিন নামে পরিচিত দ্রবণীয় ফাইবার, স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। আপেলের নিয়মিত ব্যবহার হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাসের সাথে যুক্ত।

৪. আপেলগুলিতে ক্যালোরি এবং চর্বি কম থাকে, যা ওজন কমাতে বা বজায় রাখতে চায় তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার স্ন্যাক অপশন। তাদের উচ্চ ফাইবার উপাদান পূর্ণতা অনুভূতি প্রচার করতে সাহায্য করে, অপ্রয়োজনীয় তৃষ্ণা এবং অতিরিক্ত খাওয়া দমন করে। এছাড়াও আপেল খাওয়ার আরো অনেক উপকারিতা থাকতে পারে।


অপকারিতাঃ

এলার্জি প্রতিক্রিয়া: কিছু মানুষের আপেলের মধ্যে পাওয়া কিছু প্রোটিনে অ্যালার্জি হতে পারে। এলার্জির জন্য চুলকানি বা আমবাতের মত লক্ষণ থেকে শুরু করে শ্বাস নিতে অসুবিধা বা অ্যানাফিল্যাক্সিস এর মতো প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আপেল খাওয়ার পর যদি আপনি কোনো অ্যালার্জির উপসর্গ অনুভব করেন, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

দাঁতের স্বাস্থ্য: আপেল লালা উদ্দীপিত করে দাঁতের স্বাস্থ্যের অবদান রাখতে পারে, তবে এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে যা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে না খেলে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে। যদি কোনো সঠিক স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই ঘন ঘন আপেল খাওয়া হয় তবে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। আপেল বা কোনো অ্যাসিডিক ফল খাওয়ার পর আপনার মুখ ধুয়ে ফেলা বা দাঁত ব্রাশ করা অপরিহার্য।

আপেলের বীজে সায়ানাইড: আপেলের বীজে অ্যামিগডালিন নামক একটি যৌগ থাকে, যা চিবানোর সময় অল্প পরিমাণে সায়ানাইড নিঃসরণ করতে পারে। দুর্ঘটনাক্রমে কয়েকটি আপেলের বীজ গিলে ফেললে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কারণ মানবদেহ অল্প পরিমাণে সায়ানাইডকে  ডিটক্সিফাই করতে পারে। তবে বেশি পরিমান আপেলের বীজ খাওয়াএড়ানো উচিত, এবং যদি প্রচুর পরিমাণে খাওয়া হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়াও আপেলের আরো অনেক অপকারিতা থাকতে পারে।


আশা করি আপনারা আমাদের এই পোস্ট থেকে আপেল কত টাকা কেজি, আপেল খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা, আপেলের বীজ খেলে কি হয় এবং আপেল সম্পর্কে আরো অনেক কিছু জানতে পেরেছেন। আমাদের এই পোস্টে আপেল সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে। আশা করি আপনাদের আমাদের এই পোস্টটি ভালো লেগেছে। পুড়ো পোস্টটি ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

একই ধরনের পোস্ট

×