বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কত । বাদাম কত প্রকার

বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কত । বাদাম কত প্রকার ২০২৪

Last Updated:3 months ago

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সকলে ভালো আছেন। আজকে আমরা বিভিন্ন ধরণের বাদামের দাম সম্পর্কে আলোচনা করবো। বাদাম অনেক জানপ্রিয় এবং উপকারি একটি ফল। বাদাম সাধারণত স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া হয়ে থাকে। এর কারণ হলো সব ধরনের বাদামই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তাই উচ্চমাত্রায় আমিষ ও আঁশ রয়েছে বাদামে। এছাড়াও স্নেহজাতীয় পদার্থ রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। আর এই স্নেহজাতীয় উপাদানের বেশির ভাগই প্রয়োজনীয় ও উপকারী ফ্যাটি অ্যাসিড। তবে খারাপ ধরনের স্নেহপদার্থ থাকে খুবই কম। অনেকেই জানতে চায় বাদামের দাম কত। আজকে আমরা জানিয়ে দিবো বিভিন্ন ধরণের বাদামের দাম।

বাদাম কত প্রকার ও কি কি

প্রায় সকলেই বাদামের সাথে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় সকল দেশে বাদাম পাওয়া যায়। তবে বাদাম কয়েক ধরণের হয়ে থাকে। অনেকেই নিয়মিত বাদাম খেয়ে থাকে কিন্ত বাদাম কয় ধরণের ও কি কি তা অধিকাংশ মানুষ জানে না। অনেকেই জানতে চায় বাদাম কত প্রকার ও কি কি। চলুন জেন নেই বাদাম কত প্রকার ও কি কি।

সাধারণত বাদাম হলো  ৪ প্রকার। আমরা ৪ প্রকার বাদামের সাথে বেশি পরিচিত। তা হলোঃ কাঠ বাদাম, পেস্তা বাদাম, চিনা বাদাম, কাজু বাদাম। এর বাইরেও অনেক ধরণের বাদাম থাকতে পারে তবে বাংলাদেশে এই চার ধরণের বাদাম বেশি পাওয়া যায়। এই সকল বাদামে রয়েছে অনেক উপকারিতা। বাদাম হলো এক ধরণের স্নাকস। এই মুখরোচক স্ন্যাক্সটা সবাই খেতে খুব মজাই পায়। তাছাড়াও এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। এই সুস্বাদু খাবারটি রান্নার স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলে। বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে এর বিকল্প নেই। রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের সমস্ত রকম রোগ থেকে মুক্ত রাখে।


বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কত

আমরা অনেকেই বাদাম খেয়ে থাকি। কম বেশি প্রায় সকলেই বাদাম পছন্দ করে থাকে কারণ বাদামে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুন উপাদান যা আমাদের শরীরের অনেক উপকার করে। বাদাম সাধারণত কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। একেক ধরনের বাদামের দাম একেক রকম হয়ে থাকে। বাদাম সাধারণত গ্রাম, কেজি আকারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে । তবে এর দাম একেক জায়গায় একেক রকম হতে পারে। নিম্নে বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম দেওয়া হলোঃ


কাজু বাদাম

বর্তমানে জনপ্রিয় বাদামের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কাজু বাদাম। কাজু বাদামের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এবং এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই জানতে চায় কাজু বাদামের দাম কত। চলুন জেনে নেই কাজু বাদামের দাম কত। বর্তমান বাজারে ১০০ গ্রাম কাজু বাদামের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া কাজু বাদামের সর্বনিম্ন দাম কেজি প্রতি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা। এবং এর সর্বোচ্চ দাম ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকা। এছড়াও ছোট সাইজের কাজু বাদাম প্রতি কেজির দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। মিডিয়াম সাইজের কাজু বাদাম প্রতি কেজির দাম ১০০০ থেকে ১০৫০ টাকা। এবং বড় সাইজের কাজু বাদাম প্রতি কেজির দাম ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকা। তবে এই বাদাম পাইকারি দামে কিনলে কিছুটা কম দামে কেনা যায়।এর দাম একেক জায়গায় একেক রকম হতে পারে।


কাঠ বাদাম

কাঠ বাদাম আমরা প্রায় সকলেই কম বেশি কাঠ বাদামের সাথে পরিচিত। কাঠ বাদামের ইংরেজি নাম হলো (Almonds nuts) যা বাংলাতে কাঠ নামে পরিচিত। অনেকেই জানতে চায় কাঠ বাদামের দাম কত। চলুন জেনে নেই কাঠ বাদামের দাম কত। বর্তমান বাজারে ১০০ গ্রাম কাঠ বাদামের দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এছাড়া ২৫০ গ্রাম কাঠ বাদামের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। ৫০০ গ্রাম কাঠ বাদামের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। এবং প্রতি কেজি কাঠ বাদামের দাম ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। তবে সাধারণ কোয়ালিটির প্রতি কেজি কাঠ বাদামের দাম ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা। তবে এর দাম স্থানভেদে  কম বেশি হতে পারে।

আমরা প্রায় সকলেই কম বেশি কাঠ বাদাম পছন্দ করে থাকি। এই বাদামে রয়েছে অনেক উপকারিতা। এর উপকারিতার জন্য বর্তমানে এর চাহিদা অনেক।এই বাদামে রয়েছে ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং রিবোফ্লাভিন আছে বাদামে। এছাড়া রয়েছে আয়রন, পটাসিয়াম, জিঙ্ক এবং বি ভিটামিন, নিয়াসিন, থায়ামিন এবং ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ। কাঠ বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবারে ভরপুর।


পেস্তা বাদাম

পেস্তা বাদাম অনেকেই এই বাদাম খেয়ে থাকি। এই বাদামের রয়েছে অনেক গুনাগুন। পেস্তা বাদাম সাধারণত ছোট ছোট হয়ে থাকে। অনেকেই জানতে চায় পেস্তা বাদামের দাম কত। চলুন জেনে নেই পেস্তা বাদামের দাম কত। সাধারণত অন্যান্য বাদামের থেকে পেস্তা বাদামের দাম অনেক বেশি হয়ে থাকে। বর্তমান বাজারে ১০০ গ্রাম পেস্তা বাদামের দাম ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা। এছাড়া ৫০০ গ্রাম পেস্তা বাদামের দাম ১১০০ থেকে ১২০০ টাকার উপরে। এবং প্রতি কেজি পেস্তা বাদামের দাম ১৫০০ থেকে ১৭০০ টাকা। এছাড়াও খোসা ছাড়া প্রতি কেজি পেস্তা বাদামের দাম ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা। এই পেস্তা বাদামকে সব থেকে দামি বাদাম বলা হয়ে থাকে। এর দাম একেক জায়গায় একেক রকম হয়ে থাকে।


চিনা বাদাম

চিনা বাদাম হল মুখরোচক স্ন্যাকস। আমরা প্রায় সকলেই এই বাদাম খেয়ে থাকি। অনেকেই চিনা বাদামের দাম সম্পর্কে জানতে চায়। চলুন জেনে নেই চিনা বাদামের দাম কত। বর্তমান বাজারে ৫০০ গ্রাম থাই চিনা বাদামের দাম ২০০ থেকে ২২০ টাকা। থাই চিনা বাদাম প্রতি কেজির দাম ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা। এছাড়া দেশি সাধারণ চিনা বাদামের দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। এবং ভালো মানের দেশি চিনা বাদাম প্রতি কেজির দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। ভালো মানের দেশি চিনা বাদাম ১০ কেজির দাম ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। এবং ভালো মানের দেশি চিনা বাদাম ৫০ কেজির দাম ১৫ হাজার থেকে ১৭ হাজার ৫০০ টাকা। চিনা বাদামের দাম অন্যান্য বাদামের থেকে অনেকটা কম। এবং এই বাদাম এর দাম একেক জায়গায় একেক রকম হতে পারে।

মধুময় বাদাম

মধুময় বাদাম। আমরা অনেকেই মধুময় বাদাম এর সাথে পরিচিত। মধুময় বাদামে অনেক পুষ্টিগুন উপাদান থাকায় বর্তমানে এর চাহিদা অনেক। অনেকেই জানতে চায় মধুময় বাদামের দাম কত। চলুন জেনে নেই মধুময় বাদামের দাম কত। বর্তমান বাজারে ৫০০ গ্রাম মধুময় বাদামের দাম ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। এবং ১০০০ গ্রাম বা ১ কেজির মধুময় বাদামের দাম ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা। তবে এর দাম কোয়ালিটি এবং উপাদান হিসেবে কম বেশি হতে পারে।

বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা

পুষ্টিগুনে দেখতে গেলে বাদামের কোন বিকল্প নেই। এতে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং প্রোটিন উপস্থিত। যা স্বাস্থ্য এবং ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। তবে এর উপকারের পাশাপাশি কিছু অপকারও রয়েছে। অনেকেই জানতে চায় বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা কি কি। চলুন জেনে নেই বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা।
উপকারিতাঃ
ক্যান্সার থেকে বাঁচায়:  কাজু প্রুনোথোসিনিডিন ফ্লাভোনিওাইডের একটি প্রকার যা ক্যান্সার কোষগুলিকে ক্রমবর্ধমান থেকে আটকায়। কাজু বাদাম নিয়মিত ক্যান্সারের কিছু রূপ থেকে রক্ষা করে।
ক্লান্তি দূর করে: বাদাম শক্তির ভালো উৎস। বাদাম খাওয়ার ফলে দেহে এনার্জি দেয়। নিয়মিত এই বাদাম খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।
মস্তিষ্কে শক্তিশালী করে: কাজু বাদামে এক প্রকার তেল থাকে যা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। এর জন্য এটি একটি শক্তিশালী খাদ্য হিসাবে পরিচিত। এছাড়াও বাদামে রয়েছে ভিটামিন বি, যা মেমরি শক্তি বৃদ্ধি করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: বাদামে পটাসিয়ামের পরিমাণ উচ্চ মাত্রায় থাকে এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। সোডিয়ামের মাত্রা বেশি হলে দেহে রক্ত বৃদ্ধি পায় তখন রক্তচাপ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে নিয়মিত বাদাম খাওয়া উপকারি।
কলেস্টেরল কমায়: নিয়মিত বাদাম খাওয়ার দ্বারা কলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয়। বাদামে উচ্চ প্রোটিন সামগ্রী হওয়ার কারণে দ্রুত হজমের শক্তি বাড়ায়। তাই কলেস্টেরলের সমস্যা থেকে ভুগছেন এমন মানুষজনকে নিয়মিত বাদাম খেতে হবে।
স্বাস্থ্যকর হৃদয়: বাদামে এক প্রকার অ্যাসিড পাওয়া যায় যা হার্টের পক্ষে খুব ভালো। এছাড়াও দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম, তামা এবং লোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং হৃদরোগের সহায়তা করে।

অপকারিতাঃ
ওজন বাড়াতে পারে: বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা নিবন্ধে বাদামের উপকারিতায় আমরা আগেই জেনেছি, এতে উচ্চ প্রোটিন ও ফ্যাট থাকে। তাই মাত্রাতিরিক্ত বাদাম খেলে আপনি কিন্তু মোটা হয়ে যেতে পারেন। কাঠ বাদাম ওজন কমায় পাশাপাশি বেশি খেলে ওজন বাড়াতেও পারে। এছাড়াও অন্যান্য বাদাম রয়েছে যা সঠিক মাত্রায় না খেলে ওজন বৃদ্ধি করতে পারে। তাই নিয়মিত খাবারের তালিকায় বাদাম যোগ করলে চার ভাগের এক ভাগ রাখুন।=
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা:  আপনার কাজু বাদাম পছন্দ আর আপনি রোজ প্রয়োজনের থেকে (২০০ গ্রাম বা তার বেশি) খেয়ে ফেলেন। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারেন। কারণ এটি বাদামে একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
অ্যালার্জির সমস্যা: বাদামে প্রচুর পরিমাণে উপকারিতা বিদ্যমান রয়েছে তবু বাদাম খাওয়ার সময় সঠিক পদ্ধতিতে না ব্যবহার করলে কিছু সাইড এফেক্ট দেখা যায়। তার মধ্যে একটি অ্যালার্জির সমস্যা। কারণ বাদামে অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই বাদাম খাওয়ার আগে সচেতন হন কোন বাদামে আপনার অ্যালার্জি রয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক সমস্যা থাকতে পারে।

বাদামের লাল খোসার উপকারিতা

আমরা সাধারণত বাদামের খোসা ছাড়িয়ে তারপর খেয়ে থাকি। বেশিরভাগ সময় বাদামের খোসা ছাড়িয়ে খোসা ফেলে দেওয়া হয়। তবে আমরা অধিকাংশ মানুষ জানি না যে বাদামের খোসায় অনেক উপকার রয়েছে। অনেকেই জানতে চায় বাদামের লাল খোসায় কি উপকার রয়েছে। চলুন জেনে নেই বাদামের লাল খোসার উপকারিতা।
উপকারিতাঃ
বাদামের খোসায় থাকে ফাইবার এবং ফ্ল্যাভিনয়েড। যা আমাদের পেট পরিষ্কার রাখে। এছাড়াও আমাদের রেচনতন্ত্র ঠিক রাখতে ভূমিকা রয়েছে বাদামের। আমন্ডের খোসা তিসি, তরমুজের বীজ আর মিছরি দিয়ে একসঙ্গে পিষে গরম দুধের সঙ্গে খান। এতে কিন্তু নিজের শরীরেরই ভাল হয়।
আমন্ডের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-ই। যা আমাদের চুলের জন্য খুবই উপকারী। ডিম, নারকেল তেল, অ্যালোভেরা জেল আর আমন্ড বেটে চুলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগান। এতে চুল থাকবে নরম। বাড়বে শাইনও।
বাদামের খোসাও আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভাল। মুখ পরিষ্কার রাখতে এক কাপ বাদামের খোসা, ১/৪ কাপ ওটস, ১/৪ কাপ বেসন, ১/২ কাপ কফি আর টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। রোজ যদি মাখতে পারেন তাহলে মুখ হবে পরিষ্কার। সব ধরণের ত্বকেই ব্যবহার করা যেতে পারে এই প্যাক।
বাদামের লাল খোসা অনেকেই ফেলনা মনে করে। অনেকটা ফেলনা মনে হলেও বাদামের লাল আবরণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও রেসভেরাট্রল নামক বিশেষ কিছু উপাদান থাকে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, প্রদাহ/জ্বালাপোড়া ও হৃদরোগ কমাতে সাহায্য করে। বাদাম থেকে তৈরি যেসব প্রোডাক্টে লাল আবরণটুকু রেখে দেয়া হয় সেগুলোর পুষ্টিমান বাকিগুলোর তুলনায় বেশি থাকে।

 আশা করি আপনারা আমাদের এই পোস্ট থেকে বিভিন্ন বাদামের দাম,কাঠ বাদামের দাম, কাজু বাদামের দাম, চিনা বাদামের দাম, বাদামের উপকারিতা ও অপকারিতা এবং বাদাম সম্পর্কে আরো অনেক কিছু জানতে পেড়েছেন। আমাদের এই পোস্টে বাদাম সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে। আশা করি আমাদের এই পোস্টি আপনাদের ভালো লেগেছে। পুড়ো পোস্টটি ধৈর্য ধরে সম্পূর্ণ পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

একই ধরনের পোস্ট

×